
পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
হেমন্তের ফসল ভরা মাঠ যখন শূন্য ও রিক্ত হয়ে পড়ে তখনই বুঝা যায়, ঘন কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়ে আসছে শীত। উত্তরের হিমেল হাওয়া হাড়ে কাঁপন লাগিয়ে সে আসে তার নিজস্ব রূপ নিয়ে, ফুটে ওঠে নানা বর্ণ-বৈচিত্র্যের শীতকাল। বলা হয়ে থাকে, বারো মাসে তের পার্বণ। পৌষ-পার্বণে পিঠা-পুলি না হলে যেন
বাঙালির জমেনা। বাংলার ইতিহাস-ঐতিয্য- সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় ও মজবুত রাখার প্রত্যয়ে এবং
নতুন প্রজন্মকে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে বৃহস্পতিবার “আল হুদা একাডেমির উদ্যোগে” কিশোরগঞ্জে পাকুন্দিয়া উপজেলার পুলেরঘাট মাইজহাটি আল হুদা একাডেমি প্রাঙ্গণে সকাল ৮ থেকে অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব-১৪৩০ বঙ্গাব্দ (১৮
জানুয়ারি ২০২৩খ্রি.)। উৎসবমুখর পরিবেশে অভিভাবক ও শিক্ষার্থী সহ আশপাশের লোকজন এর উপস্থিতিতে এই পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন, এ কে এম নেছার উদ্দিন সাহেব, প্রিন্সিপাল, আকরর আলী খান কারিগরি ও বানিজ্য কলেজ, জনাব আব্দুল আউয়াল সাহেব, প্রতিষ্ঠাতা, আল হুদা একাডেমি, শরিফুল আলম সাহেব, সেক্রেটারি, মধ্য মাইজহাটি জামে মসজিদ, এবং একাডেমির পরিচালক, মুফতি শফিকুল ইসলাম ও এলাকার অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গ।
পিঠা উৎসব আয়োজনে অতিথি বিন্দু বলেন এমন আয়োজন প্রতিটি এলাকায় হওয়া প্রয়োজন, নতুন প্রজন্মের শিশুরা মোবাইল গেইম সহ বিভিন্ন নেশায় জড়িয়ে পড়ছে, তাদের কে এসব থেকে ফেরানোর জন্য আমাদের প্রয়োজন এমন ভাবে আনন্দ উপভোগ করার জন্য আমাদের বাঙালির বিভিন্ন ঐতিহ্য গুলো সামনে নিয়ে আসা, আমরা আশা করি প্রতিবছর এমন আয়োজন হোক।
উক্ত আয়োজনে ক্রেতারা পিঠা ক্রয় করে খেয়ে এবং বিক্রেতারা বিক্রয় করে অনেক আনন্দ উপভোগ করেন। তিনটি স্টলে ছিল শীত কালের নানান রকম পিঠা,রস পিঠা, তেলের পিঠা, পাটিসাপটা, ভাপাপুলিসহ আরও নানারকম শীতের আঞ্চলিক পিঠায় ভরে ওঠে। বৃহস্পতিবার সারাদিন সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শেষ হয় পিঠা উৎসব।
Leave a Reply