রিপোর্টার , সমরেশ রায় ও শম্পা দাস , কলকাতা
আজ ,২৬শে এপ্রিল শুক্রবার, ঠিক বিকেল সাড়ে পাঁচটায়, মানসী সিনহ্ র পরিচালনায় এবং শুভঙ্কর মিত্র ও সুভাষ বেরা প্রযোজিত, ধাগা প্রোডাকশনের , প্রিয়া সিনেমা হলে, মুক্তি পেল..... এটা আমাদের গল্প। একটি সুন্দর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা হয়।
এই গল্পে অভিনয় করেছেন, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, অপরাজিতা আঢ্য, খরাজ মুখোপাধ্যায়, কোনীনিকা ব্যানার্জি , তারীন যাহান, আর্য্য দাশগুপ্ত ,পূজা কর্মকার, সোহাগ সেন ,তপতী মুন্সী, অমিত ঘোষ ,জুঁই সরকার, যুধাজিত ব্যানার্জি।
এবং যে সকল শিল্পী গান গেয়েছেন তারা হলেন, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, খরাজ মুখোপাধ্যায় , শ্রীকান্ত আচার্য, জয়তী চক্রবর্তী ,আলাপ ঘোষ, মেঘা বিশ্বাস , কাজল চ্যাটার্জী, মানস্বিতা ঠাকুর, শৌণক সরকার,
যাহারা এই ছবিটি তৈরীর পেছনে অনলস পরিশ্রম করে গিয়েছেন তাহারা হলেন, চিনেমাটোগ্রাফার অম্লান সাহা, এডিটর অনির্বাণ মাইতি, প্রোডাকশন ডিজাইনার অমিত চ্যাটার্জি, সংগীত পরিচালক প্রাঞ্জল দাস, লিরিক্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুমিত সমাদ্দার ও প্রাঞ্জল দাস
গণমাধ্যম প্রচার ও মার্কেটিং এ যিনি সবাইকে কিছুটা আনন্দ দেয়ার চেষ্টা করেন রানা বসু ঠাকুর।
এছাড়াও আজকের বিশেষ অতিথি হিসেবে যাহারা উপস্থিত হয়েছিলেন, সুদেষ্ণা রায়, অনামিকা সাহা, শ্রেয়া পান্ডে সহ অন্যান্যরা
এটা আমাদের গল্প .....শুভ মুক্তি পেল ৫২ টি হলে একই সাথে, এবং মানুষের মন জয় করে নিল, প্রথম দিনেই, অনেকেই টিকিট না পেয়ে ফিরে গিয়েছেন নন্দন থেকে, বই দেখার সুযোগ হয়ে ওঠে না আজ, প্রমাণ করে দিল আবার মোবাইল ছেড়ে, বাংলা বই দেখতে সিনেমা হলে হলে ভিড়, বাংলা সিনেমাকে, সিনেমা প্রেমিরা আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন, , কারণ সিনেমা প্রেমীরা যদি এই ধরনের বইগুলি না দেখেন ,তাহলে হয়তো প্রোডিউসার থেকে শুরু করে পরিচালক নতুন বই নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে পারবেন না, তাই আজকে আবারও একবার প্রমাণ করে দিল এগিয়ে চলার পথ। নতুন নতুন বই তৈরি করার পথ। পরিচালকদের মনে সাহস যোগিয়ে দিল।
মানসী সিনহ্ পরিচালিত এই গল্পটি একেবারেই অন্যরকম, কারো একার গল্প নয়, অনেকের নিয়ে গল্প, দুটি পরিবারকে নিয়ে গল্প, দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন সম্প্রদায় পরিস্থিতি ও পরিবেশের এবং পরিবারের নিয়ে গল্প।
এমনকি দুটি মানুষের মধ্যে নয়, দুটি পরিবারের মধ্যে, পরিবার যদি আপন করে নিতে না পারে, হাজারো ভালোবাসাতেও কি শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে পারে, কাহিনীর প্রেক্ষাপটে এমনই এক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন, শ্রীতমা দেবী ও মিস্টার শর্মা, যখন চায়ের দোকানে বসে দুজনে হাতে হাত রেখে ভেবেছিলেন, হাজার বাধা ,হাজার হাজার ঝড়ের সামনাসামনি হওয়ার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিতে হবে, তখনই আচমকা পাশে এসে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক ঝাঁক তরুণ তুর্কি, গল্পটিকে এইভাবে এত সুন্দর রূপ দিয়েছেন , না দেখলে হয়তো এর আসল কাহিনী জানা মুশকিল, তাই সপরিবারে একবার দেখার সুযোগ নিন। আবার বাংলা সিনেমা মানুষকে কতটা আনন্দ দিতে পারবে, আপনাদের বিচারই প্রমাণ করবে।