মো: জুলহাস উদ্দিন হিরো, স্টাফ রিপোর্টার:
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, নকলায় বৃদ্ধ ও নারীসহ সাতজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে কিছু কিছু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও নতুন করে ৪ ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে।
এছাড়াও ভেসে গেছে ২ হাজারেরও বেশি পুকুর ও মৎস্য খামার। এতে বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন জেলার কৃষকরা।
রোববার (৬অক্টোবর) কৃষি বিভাগ বলেন, পানি পুরোপুরি নেমে গেলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হবে।
জেলার সব সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা ও বন্যাকবলিত এলাকায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় রাতভর পানিবন্দী মানুষদের উদ্ধারকাজ পরিচালনা করেন স্বেচ্ছাসেবী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
জেলা প্রশাসক, তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, অবিরাম বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তাদের অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন। সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করছে। আমাদের সংগ্রহে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার রয়েছে। পানিবন্দী পরিবারগুলোকে তা সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পরবর্তীতে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।