স্টাফ রিপোর্টার
গত ৪ আগষ্ট ছাত্র জনতা উপর হামলাকারী ১১ নং দানাপাটুলী ইউনিয়নের আওয়ামী ও যুবলীগের চিহ্নিত নেতাদের বিরুদ্ধে থানা ও কোর্টে মামলা দায়ের ও বিভিন্ন পোস্টারে দেওয়ালে ছয়লাব ব্যক্তিদের নিয়ে ভূরিভোজনে সময় কাটান এস.আই বাসির।
অথচ ভূরিভোজনে ব্যস্ত থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের কাছে রয়েছে ইয়াবা,নারী কেলেংকারী ও বিভিন্ন মাদক ব্যবসা সহ বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের উপর হামলার সাথে জড়িত থাকার লিখিত অভিযোগ।
কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গত ২৪শে অক্টোবর দাখিলকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দানাপাটুলী ইউনিয়নের মাথিয়া এলাকার আবদুল হাইয়ের পুত্র যুবলীগ নেতা আবু হানিফ এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও তাকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার এস.আই বাসির ভূরিভোজনে ব্যস্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
দানাপাটুলী ইউনিয়নের কয়েকজন বলেন আওয়ামীলীগের সময় থেকে আজও বদি পর্যন্ত থানায় দালালী ও এলাকার মানুষকে নিয়মিত হয়রানি করে চলছে যুবলীগ নেতা আবু হানিফ থানার পুলিশের মাধ্যমে। 
এস.আই বাসির হলো তার সকল কাজের অভিভাবক। যুবলীগ নেতা হওয়া দাপট দেখান এবং এলাকার লোকজনকে এস.আই বাসিরে ভয় দেখায়। ফলে যুবলীগ নেতা হলেও বহাল তবিয়তে রাজত্ব করে চলেছেন তিনি।
উল্লেখ্য যে, ৪ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা আন্দোলনে সরাসরি আবু হানিফ ও তার ভাই দানাপাটুলী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম মাসুদ, আমির হোসেন মেম্বার, বুলবুল মেম্বার, আরজু মেম্বার, বকুল মেম্বার, দলবল নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র সহ নির্বিচারে গুলি করেন কিশোরগঞ্জ শহরে রাজপথে।
তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে লিখত অভিযোগ থাকলেও সবকিছু জেনেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই সদর থানার এস.আই বাসির। বরং উল্টো কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন হোটেলে অভিযুক্তদের নিয়ে অবৈধ অর্থ কামানোর মিশনে নেমেছেন এস.আই বাসির।
তাদের ভুড়িভোজনের ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এছাড়াও এস.আই বাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে থানায় অভিযোগ হলেই পক্ষ বিপক্ষের কাছে থেকে হুমকি দামকি দিয়ে অবৈধ অর্থ কামানোর মিশনে সফল করতে চেয়েছেন।
এছাড়াও তিনি সংবাদ কর্মীদের কাছে তথ্যদিতে অনীহা প্রকাশ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এস.আই বাসির মোটোফোনে বলেন যুবলীগ নেতা আবু হানিফের সাথে সম্পর্ক রয়েছে তবে থানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তিনি নিয়মিত থানায় আসা যাওয়া করেন এটা সত্য তবে আমি তাদের সাথে ভুরিভোজনে যায়নি।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি নতুন যোগদান করেছি বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো।