শিরোনাম
নরসিংদীতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘ*র্ষে নি*/হত ১ শিবপুরে অবৈধ জ্বালানি তেল বিক্রি: মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড ও জরিমানা কিশোরগঞ্জে মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও গীতা স্কুল পরিদর্শন নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে ইউএনও’র হাতে কারারক্ষী আটক কৃষকদের তেল নিয়ে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা – নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগু*নে পুড়িয়ে হ/ত্যা মামলায় স্বামীর আমৃ/ত্যু কারাদণ্ড কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পাটের গোডাউনে আগুন: ৩টি দোকানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে জনসমুদ্র, ভোর থেকেই পূণ্যার্থীর ঢল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে নলডাঙ্গায় হুইপ দুলু

স্বীকৃতি না পেয়ে মুক্তিযোদ্ধার মানবেতর জীবন যাপন

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৪
  • ৯৯ বার

 

জামিল মোহাম্মদ জনি চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

জীবন বাজি রেখে দেশকে স্বাধীন করতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা সালে আহমদ।কিন্তু এখনো স্বীকৃতি না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন ৭৭ ঊর্ধ্ব বয়সী মুক্তিযোদ্ধা রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালে আহমদ।

দীর্ঘদিন চেষ্টা তকদির করেও স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেননি। ফলে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা সহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত দেশের এই বীর সন্তান।

সালে আহমদ বলেন ১৯৬৯-৭০ সালে বাংলাদেশ সমবায় সমিতি সাথে আদা হলুদের ব্যবসায়িক সূত্রে খাগড়াছড়িতে থাকতেন। যখন যুদ্ধ শুরু হয় তখন সেখানে এক নম্বর সেক্টর কমান্ডার নুর মোহাম্মদ ও আবদুল হালিম এর তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ঘাগরাছড়ি,মহালছড়ি,মাইটছড়ি,মানিকছড়ি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে মুখোমুখি যুদ্ধে অংশ নেই। তখন আমাদের কারো হাতে বন্দুক আছে আর কারো হাতে লাটি,বললব,সেল ছিল এবং সাথে মরিচের গুড়া নিয়ে আমরা হানাদার বাহিনির উপর ঝাপিয়ে পড়ি।তখন তারা পিছু হটতে শুরু করে।তখন আমাদের সাধারন ক্যামপ ছিল ঘাগড়াছড়ি বাজারের পূর্ব পাশে বর্তমান যেখানে থানা কোট হয়েছে। তৎকালীন কোট ছিল রামগড়ে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করতে করতে এক পর্যায়ে আমরা ভারতে অবস্থান করি। সেক্টর কমান্ডারের নির্দেশে আমরা কয়েকজন খাগড়াছড়িতে চলে আসি। খাগড়াছড়ি থেকে পাক হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন খবরা খবর বিভিন্ন সূত্রে আমাদের সেক্টর কমান্ডারের কাছে পৌঁছায়। পরে ঘাগড়াছড়ি বাজার থেকে আমাদের কয়েকজন কে আটক করে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে ওদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়। ক্যাম্পে নিয়ে আমাদেরকে অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে। তৎকালীন খাগড়াছড়ি বাজারের ব্যবসায়ী সিদ্দিক আহমদ প্রকাশ সিদ্দিক বেকারি খবর পেয়ে খাগড়াছড়ি বাজারের আরো কয়েকজন ব্যাবসায়িকে সাথে নিয়ে পাকিসতানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে আমাদেরকে মুক্ত করে।পরে আমরা আরো বিভিন্ন জায়গায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ শুরু করলে এরা কয়েকজন নিহত হয় আরো বেশ কয়েকজন পিছু হটে ক্যাম্প ছেড়ে চলে যায়।

আমি মুক্তিযোদ্ধা অংশ গ্রহন করলেও কাগজ কলমে তার স্বীকৃতি মেলেনি স্বাধীনতার ৫৩ বছরেও। ১৯৪৫ সালে জন্মগ্রহণকারী সালে আহমদ বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন। ঝাপসা চোখে এখন শুধু মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি চোখে ভাসে।

তিনি বলেন আমরা সেই সব সৌভাগ্যবান মুক্তিযোদ্ধা যারা এখনো বেঁচে আছে। স্বাধীন স্বদেশ দেখেছি। এটাই তো জীবনের সবচেয়ে বড় পাওনা। কিন্তু আজ খুব কষ্ট পাই। যখন দেখি মুক্তিযোদ্ধা রাষ্ট্রীয় তালিকায় আমার নাম নেই। আমি মরার আগে রাষ্ট্রীয় তালিকায় আমার নাম অন্তর্ভুক্তি করতে চাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© 2023, All rights reserved.
Developed by Raytahost