শিরোনাম
নরসিংদীতে জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘ*র্ষে নি*/হত ১ শিবপুরে অবৈধ জ্বালানি তেল বিক্রি: মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড ও জরিমানা কিশোরগঞ্জে মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক ও গীতা স্কুল পরিদর্শন নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে তেল নিতে গিয়ে ইউএনও’র হাতে কারারক্ষী আটক কৃষকদের তেল নিয়ে কারসাজি করলে কঠোর ব্যবস্থা – নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে আগু*নে পুড়িয়ে হ/ত্যা মামলায় স্বামীর আমৃ/ত্যু কারাদণ্ড কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও সাহিত্য সভা অনুষ্ঠিত ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পাটের গোডাউনে আগুন: ৩টি দোকানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  কিশোরগঞ্জে অষ্টমী স্নানে জনসমুদ্র, ভোর থেকেই পূণ্যার্থীর ঢল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে নলডাঙ্গায় হুইপ দুলু

মিঠামইনে টিসিবির পণ্য ওজনে কম দিয়ে কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগ

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৯২ বার

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কিশোরগঞ্জের জেলার মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের টিসিবির প্রভাবশালী ডিলার আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে টিসিবির পণ্য কালোবাজারে বিক্রির গুরুত্বর অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া কিছু কার্ডধারীর মাঝে পণ্য বিক্রি করলেও ওজনে কম দেয়া হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান বরাবরে অভিযোগ করেছেন শহীদুল ইসলাম নামে এক এলাকাবাসী।

অভিযোগের অনুলিপি টিসিবির প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক, প্রশাসক সহকারী পরিচালক ও জেলা কিশোরগঞ্জ বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে জানিয়েছেন।

অভিযোগকারী অভিযোগ ও স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, মিঠামইনের গোপদিঘী ইউনিয়নের টিসিবি ডিলার আনোয়ারুল ইসলাম অনেকদিন ধরেই টিসিবির পণ্য ওজনে কম দিয়ে বেশিরভাগ পণ্য কালোবাজারে বিক্রি করে আসছেন। মে মাসের পণ্য কয়েকজন কার্ডধারীদের মাঝে বিক্রি করে পুরোটাই কালোবাজারে বিক্রি করেছেন। নামমাত্র কয়েক কার্ডধারীকে টিসিবির পণ্য দিলেও সেখানে ওজনে কম দেয়া ইসলামের দেখেছেন। কিন্তু সে পণ্য কোথায় বিক্রি করা হয়েছে তিনি বলতে পারবেন না বলে জানান।

কার্ডধারীরা জানান, জীম এন্টারপ্রাইজের মালিক টিসিবি ডিলার আনোয়ারুল ইসলাম চিনি এক কেজিতে ৫০ থেকে ৬০ গ্রাম, ডাল ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম, ছানাবুট ৭০থেকে ৮০ গ্রাম এবং চাল ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত কম দিচ্ছেন।

অভিযোগে আরো জানা গেছে, মে-২৪ টিসিবির কার্ডধারী হাসানপুর গ্রামের আব্দুল আওয়াল জানান, তিনি কয়েকদিন ঘুরেও কমদামে টিসিবির পণ্য কিনতে পারেননি। ইউপি চেয়ারম্যান সুপারিশ করলেও কোনো কাজ হয়নি বলে তিনি জানান। কার্ডধারী গোপদিঘী বাজার জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন শিব্বির আহমেদ জানান, মে মাসের টিসিবির পণ্য কিনতে পারেননি। শরীফপুর গ্রামের আরেক কার্ডধারী রুকু মিয়া জানান,

কালোবাজারে বিক্রি করেছেন। ডিলার আনোয়ারুল ইসলাম গত ৯ মে তারিখে গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ গুদাম থেকে ৬০ বস্তা চাল, ৩০ বস্তা ছানাবুট ও ৩০ বস্তা চিনি ভর্তি দুটি গাড়ি বোঝাই করে পার্শ্ববর্তী ধলা-বগাদিয়া বাজারে তার গুদামে নেয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। পরের দিন আরো দুটি গাড়ি বোঝাই করে চাল নিয়ে যায়। কিন্তু ধলা-বগাদিয়া বাজারে না নিয়ে পুরো পণ্যই কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ধলা-বগাদিয়া গ্রামের কোনো কার্ডধারী টিসিবির পণ্য কিনতে পারেননি বলে জানা গেছে। বগাদিয়া বাজারে টিসিবির ডিলার আনোয়ারুল পাশের দোকানের ব্যবসায়ীরা জানান, ‘সেখানে টিসিবির কোনো পণ্য আনা হয়নি। গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রেজাউল করিম জানান, ধলা-বগাদিয়া গ্রামের কার্ডধারীদের মাঝে বিক্রির কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদের গুদাম থেকে গাড়ি বোঝাই টিসিবির পণ্য তিনি নিতে

আগে মাল পেলেও ওজনে কম ছিল। মে মাসের মাল তিনি কিনতে পারেননি। মাল বিক্রি করবে করবে বলে গুদাম থেকে মাল নিয়ে গেছে বলে তিনি জানান। এছাড়া আরো অনেক কার্ডধারী জানান, সরকার কম দামে টিসিবির পণ্য কেনার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু গোপদিঘী ইউনিয়নের ডিলার আনোয়ারুল ইসলাম কার্ডধারীদের মাঝে মাল বিক্রি করেননি। বেশি লাভে কালোবাজারে এসব মাল বিক্রি করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। এতে। সরকারের দেয়া কম দামের সুফল থেকে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন।

লোকমুখে গুঞ্জন রয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশকের কাছের লোক বলে এলাকায় পরিচয় দিয়ে দাপটের সাথে বলে বেড়ায় আনোয়ারুল গংরা। অভিযোগ রয়েছে, ডিলার আনোয়ারুল ইসলামের এসব অনৈতিক

কাজের সহায়তা করছেন তার ভাই ইটনা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। টিসিবির পণ্য বিক্রি করাকালে সাইফুল ইসলাম নিজে উপস্থিত থেকে কিছু পণ্য বিক্রি করে বাকি পণ্য কালোবাজারে বিক্রির সহায়তা করেন বলে স্থানীয়রা জানান। তাছাড়া সাইফুল ইসলামের বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, যিনি টিসিবির দায়িত্বে রয়েছেন। তাই তাদের এসব অপকর্ম করলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে না বলে এলাকায় প্রচার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত টিসিবি ডিলার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, হাওরে ধানকাটার ব্যস্ততায় কোনো কার্ডধারী টিসিবির পণ্য কিনতে আসেনি। এলাকায় ঢোল পিটিয়েও মাল বিক্রি করা সম্ভব হয়নি। তাই শ্যামপুর গ্রামের মানুষের মাঝে এসব পণ্য বিক্রি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


অন্যদিকে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে কার্ড বিক্রি করে অবৈধ অর্থ বানিজ্যের তিনি কার্ড পিচে ১০ টাকা থেকে ১০০ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলে জানান এলাকার কয়েকজন। এ বিষয়ে গোপদিঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে মোট কার্ড ২৮০০ জনের তার মাঝে ১৮০০ জনের এনআইডি কার্ড নিয়ে একটু সমস্যা থাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাক্ষর ও আমার সাক্ষরে ১৮০০ কার্ড দেয়া হয় স্লিপ আকারে যাহা আমরা দিয়ে থাকি তবে এখানে কোন অর্থের সম্পর্ক নেই বলে তিনি দাবি করেন।

উল্লেখ্য যে, এসব অপকর্মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রসাশকসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ হলেও কোন ফল হয় না কেবল কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশকের নীরবতার জন্য বলে অভিযোগ করেন অনেকেই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রসাশক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক (সার্বিক)রুবেল মাহমুদ বলেন আমার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকেই লেখাপড়া করেছে তবে আমি কোন অন্যায় কাজে সহায়তা করি না পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রসাশক অফিসে অভিযোগ হলে তা খতিয়ে দেখা হবে। ঢাকার অভিযোগ তা কেবল ঢাকার দায়িত্বরত অফিসের লোকজন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ক্যাটাগরীর আরো সংবাদ

আর্কাইভ

October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© 2023, All rights reserved.
Developed by Raytahost