• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
Headline
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ ও গণউপদ্রবের দায়ে ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছ কাটলেন বিএনপি নেতা, বন্ধ করলেন এসি ল্যান্ড করিমগঞ্জে হারেছ হত্যা: আসামিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে কিশোরগঞ্জে মানববন্ধন তাড়াইলে আদালতের আদেশ অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ হত্যার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিএমইউজের মানববন্ধন দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে পতিত সরকারের দোসররা: রুহুল কবির রিজভী পরকীয়ার অভিযোগ তুলে ফরিদপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর চুল কেটে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি পুটিয়ার নতুন কারাগারের নির্মাণকাজ নরসিংদীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত

কিশোরগঞ্জে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name / ২২৪ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বড়খাপন এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে নগদ টাকা-গহনা নিয়ে পালিয়ে গিয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে। এমনকি স্বামীকে প্রাননাশের হুমকির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ।
​লিখিত অভিযোগ ও সংবাদ সম্মেলনে জানাযায়,
কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের বড়খাপনএলাকার সিরাজুলের ছেলে মোখলেছের স্ত্রী আইরিন আক্তার রিমা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার এবং বাড়ির গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যায়। শুধু তাই নয়, ৩ বছরের শিশু সন্তানকেও সাথে নিয়ে যাওয়ার পর স্বামী ও তার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
​ এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্বামী মোখলেছুর রহমান কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় চারজনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
​অভিযুক্ত বিবাদীরা হলেন— ১। আইরিন আক্তার রিমা (২৬), ২। তাজুল ইসলাম (৩৫), ৩। মোছাঃ তাছলিমা (৩৮), এবং ৪। মোছাঃ শিরিন আক্তার (৩০)। তারা সবাই উপজেলার চৌধুরীহাটি গ্রামের আঃ রাজ্জাকের সন্তান।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিগত ৪ বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বড়খাপন গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোখলেছুর রহমানের সাথে আইরিন আক্তার রিমার বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে ‘রিজভী’ নামে ৩ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে।
​কিছুদিন পূর্বে ২নং বিবাদী তাজুল ইসলাম বিদেশ যাওয়ার কথা বলে মোখলেছুর রহমানের কাছ থেকে ৩,০০,০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা ধার নেন। পরবর্তীতে মোখলেছুর রহমান সেই টাকা ফেরত চাইলে বিবাদী পক্ষ টাকা দেব-দিচ্ছি বলে টালবাহানা শুরু করে এবং বিভিন্ন তারিখ দিয়ে ঘুরাতে থাকে। এই টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই মূলত পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
​টাকা ও গহনা নিয়ে পলায়ন
​লিখিত অভিযোগে বাদী মোখলেছুর রহমান উল্লেখ করেন, গত ২০/০৫/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৬:০০ ঘটিকার সময় শ্যালক তাজুল ইসলামের পরামর্শে স্ত্রী আইরিন আক্তার রিমা ঘরের বিছানার নিচ থেকে নগদ ১,০৬,০০০/- (এক লক্ষ ছয় হাজার) টাকা এবং প্রায় ৪,৫০,০০০/- (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা মূল্যমানের ২ ভরি ওজনের স্বর্ণালঙ্কার চুরি করেন। এছাড়াও তিনি জমির মূল দলিলপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড), ব্যাংকের চেক বই সহ বেশ কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ৩ বছরের শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।
​”আমি আমার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে এবং বিষয়টির সমাধান করতে তাদের বাড়ি গেলে বিবাদীরা আমার সাথে অত্যন্ত খারাপ ও উশৃঙ্খল আচরণ করে। ১নং বিবাদী (স্ত্রী) পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে, সে আর আমার সাথে সংসার করবে না এবং আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে সাইজ করবে।”
— মোখলেছুর রহমান (ভুক্তভোগী স্বামী)
​আপোষের চেষ্টা ব্যর্থ ও হুমকি
​ভুক্তভোগী আরও জানান, ঘটনাটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানিয়ে সামাজিকভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করেও বিবাদী পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে তা ব্যর্থ হয়। বর্তমানে বিবাদীরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বাদীকে প্রতিনিয়ত খুন-জখমের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
​এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
উল্লেখ্য যে আইরিন আক্তার রিমাসহ তার ভাই সাইদ,তাজুল, পিতা আ: রাজ্জাকের বিরুদ্ধে নরসিংদী জজকোর্টে সুমী বেগম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে একটি মামলা হয় যাহার নং২১১ /২০২৫।
এ ছাড়াও কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় তাজুল,সাইদুল,আ: রাজ্জাক ও শিরিনের নামে একটি মামলা রুজু হয়।
যাহার নং১৪ তারিখ ০৮/০৯/২০২৫।
উক্ত মামলায় আদালতে চলমান থাকায় অবস্থায় মামলার সাক্ষী ও বাদীর পরিবারের বিরুদ্ধে তাজুল বাদী হয়ে মিথ্যা মামলায় দায়ের করেছে কিশোরগঞ্জ ম্যাজিষ্টেট আদালতে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, ইতিমধ্যে নরসিংদির আদালতের মামলায় রিমা ও তার পিতা আ: রাজ্জাক কারাগারে রয়েছে।
অন্যদিকে তাজুল ওয়ারেনভুক্ত আসামি হয়েও থানা ও আদালতে গিয়ে মিথ্যা মামলা করে চলছে।
কিশোরগঞ্জ থানায় ও নরসিংদী জজকোর্ট আদালতে মামলা চলমান ও ওয়ারেন্ট থাকার পরও কিশোরগঞ্জ মডেল থানার এস আই দুলালের সহায়তায় ধর্ষন মামলার আসামি বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বলে দাবি মামলার বাদী সুমীর পরিবারের তারা বলেন, মামলার কাগজসহ পাসপোর্ট দিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার অফিসে লিখিত অভিযোগ করার পর এসব কাগজ ইউনিয়নে দায়িত্ব থাকা এসআই দুলালকে দেয়া হয় অথচ আসামি পুলিশের পক্ষ থেকে বিদেশ যাওয়ার কাগজ সংগ্রহ করেই চলে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা