হুমায়ুন রশীদ জুয়েল, তাড়াইল:
কিশোরগঞ্জের তাড়াইল থানায় চলমান একটি মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বাদী ও তার পরিবারকে প্রকাশ্যে খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাড়াইল উপজেলার বান্দুলদিয়া গ্রামের( অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক) মো :মতিউর রহমান এর ছেলে হুমায়ুন রশিদ জুয়েল দৈনিক ইনকিলাব তাড়াইল উপজেলা সংবাদ দাতা (৪৩) বাদী হয়ে তাড়াইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। জিডি নং- ৬৫৪, তারিখ: ১৯/০৯/২০২৬ ইং।
জিডি সূত্রে জানা যায়, বিবাদী ১। জয়নাল মিয়া (৪২), পিতা- মৃত মন্তাজ উদ্দিন ও ২। মোছাঃ নিলয় মিয়া (২০), পিতা- জয়ানাল মিয়া (উভয় সাং- বান্দুলদিয়া, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ) সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন এলাকায় প্রভাবশালী ভূমি দস্যু ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির লোক। ইতিপূর্বেও তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বিবাদীরা এলাকার কোনো গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বা সালিশ-দরবার মানে না।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ২০২৪ সালে ঈদুল ফিতরের দিন জমি সংক্রান্ত বিরুদের জের ধরিয়া বিবাদীরা, বাদীর পিতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করে। ওই ঘটনায় তাড়াইল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। উক্ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে বাদী ও তার পরিবারের লোকজনকে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বাদীর বাড়ির সামনের পুকুরে কাজ করার সময় বিবাদীরা অতর্কিতভাবে বাদীর ছোট ভাই ও মামলার ৩নং সাক্ষী আবু সালেকের ওপর হামলা চালায়। এ সময় কিল, ঘুষি ও লাঠিসোটা দিয়ে তাকে বেদম মারধর করে গুরুতর জখম করা হয়। এমনকি বাদী সাংবাদিক হওয়ায় তাকে ও তার পুরো পরিবারকে সুযোগ পেলে খুন করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বিবাদীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় নিজেদের নিরাপত্তা ও আইনগত সহায়তার জন্য তাড়াইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। বাদী ও তার পরিবার বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।